লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রাণ প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ। তার দক্ষিণে নদীকেন্দ্রিক এই সুজলা সুফলা বরিশাল যার সর্বত্রই  প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যে মহিমান্বিত।  এই জেলা বাংলাদেশের বহু নেতা ও জ্ঞানী গুণীর জন্মভূমি।

আমরা ঐ সকল জ্ঞানী গুণীজনদের চলার পথের পাথেয় হিসেবে নিজেদের মধ্যে লালন করি। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়া এবং  আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার সহায়তা করার জন্য তৎকালীন বেশ কিছু দেশী বিদেশী বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এগিয়ে আসে। সেই থেকেই বরিশাল জেলার সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ একাত্মভাবে মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রান। আমরা জীবন সংগ্রামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা তথা সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং দেশী বিদেশী সংস্থার সহায়তা নিয়ে বরিশালের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে অনবরত দাড়াবার চেষ্টা করি। বরিশালবাসী সর্বদা উন্নয়নের পথে চলতে চায় তারা সবসময় ইতিবাচক পরিবর্তনে বিশ্বাসী।

দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অভীষ্ট লক্ষে নিয়ে যাবার জন্য আমরা একাত্মভাবে মনে করি দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়পরায়নতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং আমাদেরকে উন্নত বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একত্রে ডিজিটালাইজেশন এর আওতায় এসে সকল কার্যক্রমে গতিশীল ও তরান্বিত করা একান্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে প্রযুক্তি তথা ইন্টারনেটের ব্যবহার নতুন প্রজন্মকে নতুনত্ব  তাদের মধ্যে সৃজনশীল কাজের উদ্যমতা বাড়াবে।

বেসরকারী ও সরকারী কাজের মধ্যে সার্বিক সমন্বয় বাড়বে এবং খুবই সহজে তথ্যের আদার প্রদান করা সম্ভব হবে। ওয়েব পোর্টাল এর ব্যবহারে বরিশাল জেলার বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি বিশ্বের সবার মাঝে পৌছে যাবে। তথ্য বিনিময় সহজলভ্য হবে এবং অল্প সময়ে আমরা আমাদেরকে বিশ্বের সবার মাঝে উপস্থাপন করার  সুযোগ সৃষ্টি হবে।  আমরা আশাবাদী বরিশাল জেলার উন্নয়ন তথা প্রযুক্তির ব্যবহার সমৃদ্ধশালী করতে এই  ওয়েব পোর্টাল একটি  গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা  রাখতে সক্ষম হবে।

আমি বরিশাল জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক ডঃ গাজী মো. সাইফুজ্জামান সহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক সম্পৃক্ত থেকে ওয়েব পোর্টাল প্রকাশে সহায়তা করেছেন  জনাব আহসান মুরাদ চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, প্রাইম, বরিশাল সহ অন্যান্যদেরকে বরিশাল জেলার সকল বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি উন্নত ও সম্মৃদ্ধ দেশ এবং বাংলা ও বাংলাদেশী সংস্কৃতি হোক সকলের - অনুকরনীয়। জিও-এনজিও আমরা সবাই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে।

 

কাজী জাহাঙ্গীর কবির

নির্বাহী পরিচালক

সেইন্ট-বাংলাদেশ, বরিশাল।